দীর্ঘ দেড় দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর প্রভাবে দলটির অন্যতম সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন উদ্দীপনা। তবে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আশানুরূপ ফল না পাওয়া এবং ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল—এসব বিষয় নিয়ে সংগঠনের ভেতরেই সমালোচনা রয়েছে। তারই প্রেক্ষাপটে এবার ছাত্রদলকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। সেই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন।
২০২৪ সালের ১ মার্চ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঠিক আগে রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের একটি আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছিল ছাত্রদল। পরবর্তীতে ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে রূপ নেয় তা। নিয়ম অনুযায়ী, দুই বছরের এই কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
এমন বাস্তবতায় ত্যাগী ও রাজপথে পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে ছোট, কার্যকর ও গতিশীল একটি কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।
গত ৮ মার্চ বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘দ্রুতই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।’ তার এই বক্তব্যের পর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।
ছাত্রদলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায়, রাজীব–আকরাম কমিটি ছাড়া বাকি চারটি কেন্দ্রীয় কমিটি প্রায় দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব গঠনের দাবি জোরালো হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও ইতোমধ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন—দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ইফতার আয়োজন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তা বাড়িয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে। সম্প্রতি (২৮ মার্চ) দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠনের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
তবে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা—এবার যেন স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।
সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। সিনিয়রদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব এলে ২০০৭-০৮ সেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম আলোচনায় রয়েছেন।
২০০৮-০৯ সেশন থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, খোরশেদ আলম সোহেল, মনজরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল এবং শাফি ইসলামও আলোচনায় আছেন।
তবে, তৃণমূলে জোরালো গুঞ্জন— এবার ২০০৯-১০ সেশন থেকেই আসতে পারে মূল নেতৃত্ব। এই সেশন থেকে ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, হাসানুর রহমান হাসান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া, সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদুল হাসান রনি এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভও আলোচনায় রয়েছেন।
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে তুলনামূলক জুনিয়র সেশনের নেতাদের প্রাধান্য পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১০-১১ সেশন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর নাম শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক পদে ২০১১-১২ সেশনের নেতাদের মধ্য থেকেও বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজু আহমেদ, নাছির উদ্দিন শাওন, গাজী সাদ্দাম হোসেন, তারেক হাসান মামুন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, সাইদুর রহমান, ইব্রাহিম খলিল, মাহমুদ ইসলাম কাজল ও শামীম আকতার শুভ।
তবে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন আলোচিত ছাত্রনেতা নতুন কমিটিতে বাদ পড়তে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
পদপ্রত্যাশীরা বলছেন, স্বৈরাচারী আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী এবং গঠনমূলক রাজনীতির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বি ছাত্র শিবিরকে মোকাবিলার মতো প্রজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তিদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে ছাত্রদল।
যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের ভাষ্য, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সংগঠনের পক্ষ থেকে সাদরে গ্রহণ করা হবে।
২০২৪ সালের ১ মার্চ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঠিক আগে রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের একটি আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছিল ছাত্রদল। পরবর্তীতে ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে রূপ নেয় তা। নিয়ম অনুযায়ী, দুই বছরের এই কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
এমন বাস্তবতায় ত্যাগী ও রাজপথে পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে ছোট, কার্যকর ও গতিশীল একটি কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।
গত ৮ মার্চ বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘দ্রুতই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।’ তার এই বক্তব্যের পর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।
ছাত্রদলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায়, রাজীব–আকরাম কমিটি ছাড়া বাকি চারটি কেন্দ্রীয় কমিটি প্রায় দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব গঠনের দাবি জোরালো হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও ইতোমধ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন—দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ইফতার আয়োজন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তা বাড়িয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে। সম্প্রতি (২৮ মার্চ) দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠনের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।
তবে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা—এবার যেন স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।
সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। সিনিয়রদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব এলে ২০০৭-০৮ সেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম আলোচনায় রয়েছেন।
২০০৮-০৯ সেশন থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, খোরশেদ আলম সোহেল, মনজরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল এবং শাফি ইসলামও আলোচনায় আছেন।
তবে, তৃণমূলে জোরালো গুঞ্জন— এবার ২০০৯-১০ সেশন থেকেই আসতে পারে মূল নেতৃত্ব। এই সেশন থেকে ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, হাসানুর রহমান হাসান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া, সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদুল হাসান রনি এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভও আলোচনায় রয়েছেন।
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে তুলনামূলক জুনিয়র সেশনের নেতাদের প্রাধান্য পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১০-১১ সেশন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর নাম শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক পদে ২০১১-১২ সেশনের নেতাদের মধ্য থেকেও বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজু আহমেদ, নাছির উদ্দিন শাওন, গাজী সাদ্দাম হোসেন, তারেক হাসান মামুন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, সাইদুর রহমান, ইব্রাহিম খলিল, মাহমুদ ইসলাম কাজল ও শামীম আকতার শুভ।
তবে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন আলোচিত ছাত্রনেতা নতুন কমিটিতে বাদ পড়তে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
পদপ্রত্যাশীরা বলছেন, স্বৈরাচারী আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী এবং গঠনমূলক রাজনীতির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বি ছাত্র শিবিরকে মোকাবিলার মতো প্রজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তিদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে ছাত্রদল।
যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের ভাষ্য, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সংগঠনের পক্ষ থেকে সাদরে গ্রহণ করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক